1. dailyamarkothabd@gmail.com : admin :
  2. hmhabibullah2000@gmail.com : Habib :
  3. sabbirmamun402@gmail.com : Sabbir :
ঠাকুরগাঁওয়ে ঈদকে সামনে রেখে কাপড় সেলাইয়ে ব্যস্ত সময় পার করছে দর্জিরা - দৈনিক আমার কথা
বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১২:৫০ পূর্বাহ্ন
বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১২:৫০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় দুই উপজেলা বাবু ও লাল্টু জয়ী নকলা পল্লী বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে একই পরিবারের ২ জনের মৃ’ত্যু ঘূর্ণিঝড় রিমাল : দুর্গত মানুষের বাড়ি বাড়ি খাবার পৌছে দিলো ইউএনও রাঙ্গামাটির রাজস্থলীতে কারিতাসের উদ্যোগে সামাজিক সুরক্ষায় প্রবেশাধিকার বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত নড়াইলে সড়কের পাশ থেকে বৃদ্ধার মরাদেহ উদ্ধার। নির্মাণাধীন সীমান্ত সড়কে গাড়ি দুর্ঘটনায় আবারো ঝরলো ১টি প্রাণ; আহত ২ নদীতে ভাসছিল নবজাতকের লাশ আমেরিকার শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন নিখোঁজ নারীর অর্ধ গলিত লাশ মিলল শোয়ার ঘরে নকলা পৌরসভার ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত

ঠাকুরগাঁওয়ে ঈদকে সামনে রেখে কাপড় সেলাইয়ে ব্যস্ত সময় পার করছে দর্জিরা

মোঃ রবিউল ইসলাম স্টাফ রিপোটার
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১ এপ্রিল, ২০২৪

ঈদ মানে আনন্দ ঈদ মানে খুশি, আর মাত্র কয়েক দিন ঈদে নতুন পোশাক হবেনা তা কি করে হয়,

নিজস্ব ডিজাইন ও পছন্দের কাপড়ে তৈরি পোশাক পড়তে পছন্দ করেন অনেকে। তাই ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ক্রেতাদের ভিড় বাড়ছে দর্জির দোকানে। ঈদের আগেই ক্রেতাদের হাতে পোশাক তুলে দিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগররা। কেউ ব্যস্ত ক্রেতাদের কাছ থেকে কাপড় বুঝে নিয়ে পোশাকের মাপ ও ডিজাইন জানতে। পাশেই কেউ আবার ব্যস্ত ডিজাইন অনুযায়ী কাপড় কাটায়।

 

রমজান মাসের শুরু হতেই শহরের দর্জির দোকানগুলোতে অলস সময় কাটানোর ফুসরত নেই। এসব দোকানে ব্যস্ততা দেখে বোঝা যায় বাজারে তৈরি পোশাকের দোকান বাড়লেও কমেনি দর্জির কদর। ক্রেতারাও বলছেন পছন্দমত কাপড় কিনে মাপসই পোশাক বানাতেই এসব কারিগরের দ্বারস্থ হওয়া।

 

ক্রেতারা জানান, পোশাকের ফিটিংয়ের জন্য এখানে আসা হয়। আমি রেডিমেড পোশাক ক্রয় করলেও আমাকে ফিটিংয়ের জন্য দর্জির কাছে আসা লাগে। যেকোনো ডিজাইন দিলে সেই অনুযায়ী দিতে পারে। এই জন্য আমি সেলাই করা জামা বেশি পড়ি। রেডিমেড পোশাক কম পরি।হরিপুর উপজেলার দর্জি ফরিদ হোসেন জানান আর মাত্র কয়েক দিন তাই ঈদে ক্রেতাদের পছন্দের পোশাক তৈরিতে ভিড় জমাচ্ছে আমার এখানে, সাধারণত মেয়েদের সালোয়ার কামিজ, ছেলেদের প্যান্ট শাট পাঞ্জাবি ইত্যাদি তৈরি করে থাকি। প্রতি শাট প্যান্ট সেলাইয়ে ৩০০-৪০০টাকা মুজুরি নেই।আরেক দর্জি মোকলেস জানান ঈদকে সামনে রেখে দিনরাত কাজ করতে হচ্ছে বিশ্রামের ফুরসত টুকুও হয়না। কাপড় সেলাই করতে আসা সবুজ জানায় আমি একটা প্যান্ট ও শাট সেলাই করব ছেলের জন্য এখানে মোটামুটি সেলাইয়ের দাম কমই। তাই দর্জি রাও ব্যাস্ত সময় পার করছে। ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রায় পাঁচশতরো উপরে দর্জির ট্রেইলার্স আছে সবাই কাপড় সেলাইয়ে কর্মব্যস্ত সময় পার করছে এই ঈদকে সামনে রেখে।

Facebook Comments Box

Please Share This Post in Your Social Media

এ জাতীয় আরও খবর