1. dailyamarkothabd@gmail.com : admin :
  2. hmhabibullah2000@gmail.com : Habib :
  3. sabbirmamun402@gmail.com : Sabbir :
৫০ শয্যার হাসপাতাল হলেও নেই ৩১ শয্যার লোকবলও - দৈনিক আমার কথা
শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ০৮:২৪ পূর্বাহ্ন
শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ০৮:২৪ পূর্বাহ্ন

৫০ শয্যার হাসপাতাল হলেও নেই ৩১ শয্যার লোকবলও

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১ মার্চ, ২০২৪

নতুন ভবনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে আট বছর আগে। নানা সরঞ্জামও আনা হয়েছে। ৫০ শয্যার কার্যক্রমও শুরু করা হয়েছে। কিন্তু চলছে ৩১ শয্যার জনবল দিয়েই। তবে ৩১ শয্যার জন্য যে লোকবল প্রয়োজন, সেটাও নেই সেখানে।

এমন অবস্থা কুড়িগ্রামের রাজীবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের। হাসপাতালের একমাত্র এক্স-রে যন্ত্রটি বিকল হয়ে আছে টেকনিশিয়ানের অভাবে। অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে একটি সেটির সেবাও ঠিকভাবে পাচ্ছে না সেবাগ্রহীতারা।

সেবাগ্রহীতা কুলসুম বেওয়া, হনুফা বেগম ও সুখ বানু বলেন, এত সব সমস্যায় হাসপাতালে এসে তেমন সেবা পাই না। দূর-দূরান্ত থেকে এসে ভোগান্তিতে পড়তে হয়। ঔষধও থাকে না। ডাক্তার দেখার পর ঔষধ লিখে দিলে পয়সার অভাবে সেই ঔষধ গুলোও কিনতে পারি না।

স্থানীয় হারুন রশীদ, হাবিবুর রহমান, আব্দুস সালামসহ অনেকেই মানবজমিন কে জানান, হাসপাতালটিতে জ্বর, ঠান্ডা-কাশি, ডায়রিয়া ছাড়া তেমন অন্য কোনো রোগের সেবা পাওয়া যায় না। তবে এমন হওয়াকে তারা দায়ী করছেন হাসপাতালটিতে থাকা জনবল সংকটের।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তথ্যমতে, জুনিয়র কনসালটেন্ট ৫জন, সিনিয়র স্টাফ নার্স ৩জন, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ১জন, ক্যাশিয়ার ১জন, পরিসংখ্যানবিদ ১জন, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক ৩জন, সহকারী নার্স ১জন, কম্পাউন্ডার ১জন, স্বাস্থ্য সহকারী ২জন, হারবাল সহকারী ১জন, কাম কম্পিউটার অপারেটর ৩জন, নিরাপত্তা প্রহরী ২জন, আয়া ১জন, বাবুর্চি ১জন, মালি ১জন, অফিস সহায়ক ১জন, পরিচ্ছন্নতা কর্মী ১জন, ওয়ার্ডবয় ১জনসহ মোট ৩০টি পদ শূন্য রয়েছে।

এতো গেলো ৩১ শয্যার কথা, এই ৩১ শয্যাতেই ৩০টি পদ শূন্য। আবার এই ৩১ শয্যার ৩০টি শূন্য পদ নিয়েই চলছে ৫০ শয্যার হাসপাতাল।

হাসপাতালের কর্মকর্তারা বলছেন এতো গুলো পদ শূন্য এবং মেডিকেল অফিসার, সার্জারীসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদও শূন্য। যেকারণে কাঙ্ক্ষিত সেবাটা দেওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।

 

এবিষয়ে রাজীবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সারওয়ার জাহান বলেন, জনবল সংকটের কারণে রোগীদের সেবা প্রদান অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়েছে । এছাড়াও অত্র স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অপারেশন থিয়েটার থাকলেও অপারেশনের যন্ত্রপাতি নেই । পদ বিদ্যমান থাকলেও আজও কোন কনসালট্যান্টের পদায়ন হয়নি। টেকনিশিয়ানের অভাবে আমাদের এক্সরে মেশিনও পড়ে আছে, যদিও ডিজিটাল এক্সরে মেশিন নেই।

তিনি আরও বলেন, অত্র স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৫০ শয্যার হলেও জনবলের অনুমোদন ৩১ শয্যার। ৩১ শয্যা হিসেবেও জনবলের ঘাটতি প্রায় ৩৫ শতাংশ। যার ফলে কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে আমদের প্রতিনিয়তই হিমসিম খেতে হচ্ছে । ইতোমধ্যে আমরা আমাদের মন্ত্রী মহোদয়ের নিকট বিষয়টি জোরালোভাবে উপস্থাপন করেছি। মন্ত্রী মহোদয় যথেষ্ট আশ্বাস দিয়েছেন। আশা করছি, খুব শিগগিরই জনবল সংকট সমস্যা সমাধান হবে এবং জনগনের সেই কাঙ্ক্ষিত সেবা প্রদানের দাঁড়গড়ায় পৌঁছানো সম্ভব হবে। এছাড়াও সেবা প্রদানকারী চিকিৎসকের সংখ্যা মাত্র ৪ জন।

Facebook Comments Box

Please Share This Post in Your Social Media

এ জাতীয় আরও খবর