1. dailyamarkothabd@gmail.com : admin :
  2. hmhabibullah2000@gmail.com : Habib :
  3. sabbirmamun402@gmail.com : Sabbir :
সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবিতে প্রতীকী লাশের মিছিল - দৈনিক আমার কথা
বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন
বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় দুই উপজেলা বাবু ও লাল্টু জয়ী নকলা পল্লী বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে একই পরিবারের ২ জনের মৃ’ত্যু ঘূর্ণিঝড় রিমাল : দুর্গত মানুষের বাড়ি বাড়ি খাবার পৌছে দিলো ইউএনও রাঙ্গামাটির রাজস্থলীতে কারিতাসের উদ্যোগে সামাজিক সুরক্ষায় প্রবেশাধিকার বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত নড়াইলে সড়কের পাশ থেকে বৃদ্ধার মরাদেহ উদ্ধার। নির্মাণাধীন সীমান্ত সড়কে গাড়ি দুর্ঘটনায় আবারো ঝরলো ১টি প্রাণ; আহত ২ নদীতে ভাসছিল নবজাতকের লাশ আমেরিকার শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন নিখোঁজ নারীর অর্ধ গলিত লাশ মিলল শোয়ার ঘরে নকলা পৌরসভার ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত

সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবিতে প্রতীকী লাশের মিছিল

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

কুড়িগ্রামের  রাজীবপুর উপজেলায় সীমান্তে হত্যা ও আগ্রাসন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতীকী লাশ কাঁধে নিয়ে এক ব্যতিক্রমী মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১০টায় বাংলাদেশ গণশক্তি পার্টির আহ্বায়ক হানিফ বাংলাদেশীর নেতৃতে রাজীবপুর উপজেলা পরিষদের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে এ কর্মসূচি শুরু করেছেন তারা।

জানা গেছে, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত ও মিয়ানমার সীমান্ত আছে এমন সব জেলা ও উপজেলা প্রদক্ষিণ করে প্রতিবাদ জানাবেন। কর্মসূচিটি যশোরের বেনাপোল উপজেলায় গিয়ে শেষ হবে।

কর্মসূচি সম্পর্কে হানিফ বাংলাদেশি বলেন, বাংলাদেশের প্রতিবেশী দুটি দেশ ভারত ও মিয়ানমার সব সময় বাংলাদেশের ওপর আগ্রাসন চালিয়ে যাচ্ছে। সীমান্তে নিরীহ মানুষকে পাখির মত গুলি করে হত্যা করছে। কিছুদিন আগেও একজন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যকে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) গুলি করে হত্যা করেছে। গত চার মাসে ভারত সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত হয়েছেন ২১ জন বাংলাদেশী।

বিভিন্ন মানবাধিকার সূত্রে, ২০১০ সাল থেকে প্রায় এক হাজার ২৭৬ জন বাংলাদেশিকে হত্যা করেছে বিএসএফ। আহত হয়েছেন এক হাজার ১৮৩ জন। আরেক প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমার তাদের ১২ লাখ রহিঙ্গাকে অত্যাচার করে বাংলাদেশে পাঠিয়েছে। গত ৫ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারের অভ্যান্তরীণ যুদ্ধে মর্টারশেলে দুজন বাংলাদেশী নাগরিক নিহত হয়েছে। সীমান্ত আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ২০২০ সালে তিনি প্রতীকী লাশ কাঁধে নিয়ে ঢাকা থেকে কুড়িগ্রাম পদযাত্রা করেন বলে জানান হানিফ বাংলাদেশী।

হানিফ বাংলাদেশী আরও বলেন, বাংলদেশের জনগণ সব সময় প্রতিবেশী ও বন্ধু দেশ গুলোর সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখতে চায়। কিন্তু প্রতিবেশী দেশ দুটি বাংলাদেশের সঙ্গে বৈরী আচরণ করে। সীমান্তে বাংলাদেশীদের হত্যার পরে বলা হয় এরা গরু চোরাকারবারি। হতে পারে এরা গরু চোরাকারবারির সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু এদের আইনের আওতায় এনে বিচার করা হোক। গুলি করে হত্যা করবে কেন? ভারত ও মিয়ানমার যদি তাদের দেশের পাচারকারীদের দমন করে তাহলে বাংলাদেশের পাচারকারীরা এমনিতে বন্ধ হয়ে যাবে।

তিনি আরও জানিয়েছেন, স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশে রাষ্ট্র ক্ষমতায় যে দলই এসেছে, সে দলই দীর্ঘ মেয়াদে ক্ষমতায় থাকার জন্য দেশের মানুষের আত্মমর্যাদা বিসর্জন দিয়ে বিদেশিদের দ্বারস্থ হয়েছে। শাসকদের এই দুর্বল নতজানুর কারণে ভারত ও মিয়ানমার সব সময় বাংলাদেশের ওপর আগ্রাসন চালিয়ে যাচ্ছে। বিদেশি অন্য দেশগুলো বাংলাদেশের ওপর তাবেদারি করার সাহস পাচ্ছে। ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন দেশের মানুষ কখনও কোনো দেশের দাদাগিরি মেনে নেয়নি। নতুন প্রজন্মও কোনো দেশের আগ্রাসন মেনে নেবে না। বাংলাদেশের মানুষ আত্মমর্যাদা নিয়ে বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে বাঁচতে চায়।

Facebook Comments Box

Please Share This Post in Your Social Media

এ জাতীয় আরও খবর